এই প্রতিবেদন শুধু তথ্যের জন্য। এটি ব্যক্তিগত আর্থিক পরামর্শ নয়।
গত ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) মোট ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঋণ চুক্তি ও ২৭ লাখ ২০ হাজার ডলারের অনুদান চুক্তি সই করেছে। এর মধ্যে সাশ্রয়ী আবাসনের জন্য ১০ কোটি ডলারের ঋণ যাবে ইনক্লুসিভ অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ফাইন্যান্স প্রকল্পে, যা বাস্তবায়ন করবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)।
এই ঋণে বার্ষিক সুদ মাত্র ২ শতাংশ, পরিশোধের মেয়াদ ২৫ বছর, যার মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ড। প্রকল্পের লক্ষ্য — নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন অর্থায়ন বাড়ানো, আবাসন ক্ষুদ্রঋণ সেবা শক্তিশালী করা, আর নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ানো।
কারা পাবেন, কত পরিবার
- ২০৩১ সালের মধ্যে অন্তত ৪০,০০০ পরিবার দীর্ঘমেয়াদি, জামানতবিহীন আবাসন ঋণ পাবে।
- এর মধ্যে অন্তত ৩২,০০০ ঋণগ্রহীতা হবেন নারী।
- অন্তত ২৪,০০০ পরিবার আসবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে।
- ঋণ দিয়ে বাড়ি নির্মাণ, মেরামত বা উন্নয়ন করা যাবে, জলবায়ু ও দুর্যোগ-সহনশীল নকশা যুক্ত করে।
সাশ্রয়ী আবাসন মানে শুধু সস্তা বাড়ি নয় — মানে এমন ঋণ, যা পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে শোধ করতে পারে, বিপদে পড়ে নয়।
কেন এই প্রকল্প আলাদা
ব্যাংকের সাধারণ আবাসন ঋণ অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে — জামানত, কাগজপত্র ও সুদের হারের কারণে। পিকেএসএফের অংশীদার সংস্থাগুলোর মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণের কাঠামোয় আবাসন ঋণ পৌঁছালে গ্রামীণ ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার পরিবারও উপকৃত হতে পারে। তবে সফলতা নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর — ঋণ আসলেই লক্ষ্য পরিবারের কাছে পৌঁছায় কি না, আর বাড়িগুলো সত্যিই দুর্যোগ-সহনশীল হয় কি না, সেটাই দেখার বিষয়।
প্রতিদিনের সম্পত্তি, বাজার ও অর্থের খবর পেতে ফেসবুকে Estate News ফলো করুন: https://www.facebook.com/profile.php?id=61593817347872